দেশসেরা মেন্টর, এডভান্স কারিকুলাম, ক্যারিয়ার গাইডলাইন এবং বেস্ট সাপোর্ট নিয়ে সাজানো আমাদের এই কোর্স
আপনি খেয়াল করে দেখবেন বর্তমানে যেসব জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়াগুলো আছে, সেগুলোতে একটা ফিচার কমন আর সেটা হচ্ছে শর্টস বা রিলস ভিডিও। মাত্র কয়েকবছর আগেও কিন্তু ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম, ইউটিউবের মতো জায়ান্ট প্লাটফর্মগুলোতেও এই শর্ট ভিডিও বা রিলের ফিচারগুলো ছিল না। কিন্তু প্রায় সব প্লাটফর্মই খুবই কম সময়ের মধ্যে এই ফিচারটি যুক্ত করেছে। এর একমাত্র কারন হচ্ছে শর্ট ভিডিওর জনপ্রিয়তা।
ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব, টিকটকের মতো প্ল্যাটফর্মগুলোর এলগরিদম শর্ট ভিডিওগুলোকে প্রচুর প্রমোট করছে, কারণ এগুলো ব্যবহারকারীদের ধরে রাখে এবং প্ল্যাটফর্মে সময় কাটানোর হার বাড়ায়।
কিন্তু শুধুমাত্র শর্ট ভিডিও তৈরি করলেই হচ্ছে না, দর্শকদের মন জয় করার জন্য প্রয়োজন আকর্ষণীয় এডিটিংয়ের। একটি ভালো এডিটেড শর্টস ভিডিও দর্শকদের মনোযোগ ধরে রাখতে পারে, তাদের আকৃষ্ট করতে পারে, এবং কন্টেন্টের মেসেজ অডিয়েন্সের কাছে স্পষ্টভাবে পৌঁছে দিতে পারে।
চলুন দেখে নেই, কিভাবে এটি আপনার ক্যারিয়ারকে অন্য এক লেভেলে নিয়ে যেতে পারে।

আই রিপিট, ফিউচার ইজ শর্টস এবং আমরা এখন বসে আছি সেই ভবিষ্যতের দ্বারপ্রান্তে। যদি আপনি এই পরিবর্তনকে এক্সেপ্ট করে এগিয়ে যেতে পারেন এবং অন্যদের আগে নিজেকে এই জার্নিতে শামিল করে নিতে পারেন, তাহলে আপনি সফলতা অন্যদের থেকে বহুগুণ আগে পেয়ে যাবেন, তবে ডিসিশনটা আপনার আপনি পিছিয়ে থাকবেন নাকী এগিয়ে যাবেন।

আমি দেখেছি অনেক কনটেন্ট ক্রিয়েটর শুধুমাত্র শর্টস ভিডিও বানিয়ে তাদের ছোট্ট চ্যানেলকে মিলিয়ন অডিয়েন্সের চ্যানেলে রুপান্তর করেছে। তারা শুধু সেটা করতে পেরেছে ইউটিউব অ্যালগরিদমকে ব্যবহার করে। কারণ এখন প্রতিটি মিডিয়া প্লাটফর্ম প্রমোট করছে শর্টস কনটেন্টকে এবং খুব কম সময়েই চাইলে কেউ তার প্রতিভাকে এর মাধ্যমে তুলে ধরে কম সময়েই হয়ে উঠছে মানুষের প্রিয় কোনো ইনফ্লুয়েন্সার।

যেখানে কাজের চাহিদা বেশি সেখানে জবের পরিমাণ ও বেশি। আর যেহেতু এখন ভিডিও এডিটিং একটি ডিমান্ডিং সেক্টর, বাই ডিফল্ট এখানে কাজের পরিমাণ খুব বেশি। দিন দিন যেহেতু শর্টস কনটেন্ট বেড়েই চলেছে তাই এটা বুঝার আর বাকী নেই কাজের সুযোগ এই সেক্টরে প্রচুর পরিমানে রয়েছে, তবে হ্যাঁ, একটি সাধারণ ভিডিও থেকে শর্টস ভিডিওর এডিটিং হয় কয়েক গুণে কমপ্লিকেটেড এবং এডভান্স। যার কারনে সহজে কেউ চাইলেই এসে কাজ পেয়ে যাবে এমনটাও না। আপনাকে জানতে হবে এডভান্স ইউজকেইস অব পাওয়ারফুল সফটওয়্যারস এবং করতে হবে চোখ ধাধানো সব এডিটিং।

২০ বছর বয়সে মাসে ৭ লাখ টাকা আয়! এই ভিডিওটা আপনারা কমবেশ সবাই একবার না একবার দেখেছেন। নিল নাফিস নামে এই ছেলেটি সফলতার পেছনে মূল চাবিকাঠি ছিলো তার শর্টস এডিটিং এজেন্সি এবং এটি গড়ে তুলাটা ততটাও কঠিন নয়। শুধু প্রয়োজন নিজের দক্ষতা এবং টিম ম্যানেজমেন্টের এবিলিটি। এবং হতে পারে পরবর্তী গল্পটা আপনার হতে চলেছে।

আমার সবচেয়ে বড় পাওয়ার হচ্ছে আমি কানেক্টেড আছি দেশ ও বিদেশের অসংখ্য কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সাথে। বিভিন্ন ক্যাটাগরির বিভিন্ন স্পেশালিস্টদের থেকে যেই জ্ঞ্যান এবং সিক্রেট হ্যাকস আমি পাই, সেটা আপনি টাকা দিয়েও কখনো খুজে পাবেন না। ভিডিও এডিটর হওয়ায় তাদের কনটেন্ট প্ল্যান, বিহাইন্ড দা সিন, তাদের স্ট্র্যাটেজি সব আমি জানি। আমার জন্য এটা টাকার থেকেও আরো বড় পাওয়া।
Hello everyone,
আমি মারুফ, কাজ করছি ফুলটাইম ফ্রিল্যান্স ভিডিও এডিটর হিসেবে National এবং International অসংখ্য কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সাথে গত ৬ বছর ধরে। আমার ভিডিও এডিটিং এর উপর ভালোবাসাটা অনেকটাই আর্লি স্টেজে হয়ে যাওয়াতে আমি কখনো এটাকে কাজ হিসেবে ধরিনি বরং সবসময় পেশনের জায়গা থেকে এটাকে করেছি। আমার সবচেয়ে স্ট্রং পয়েন্ট- আমি ট্রেন্ড এবং ট্রেন্ড থেকে একধাপ এগিয়ে থাকার চেষ্টা করেছি সবসময়, যার ফলে আমি আপনাদের যেইসকল বিষয় নিয়ে শেখাতে পারবো তা ১০-২০ টি কোর্স করেও কখনো খুজে পাবেন না। কারণ আমি বিশ্বাস করি ভিডিও এডিটিং শিখা আর ট্রেন্ডি ভিডিও এডিটিং শিখার মাঝে আকাশ আর মাটির সমান পার্থক্য রয়েছে। এবং একজন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর কোনোদিন তার সিক্রেট আপনাকে বলবেনা। তবে যেহেতু আমি কাজ করে যাচ্ছি অসংখ্য ক্রিয়েটরদের সাথে, আমার নজেক বেইজে তাদের সকল সিক্রেট এবং স্টাইল সবসময় থেকে যায় এবং আমি সেগুলোকে বেইজ করে নতুন নতুন স্টাইল তৈরি করে যাই।
অনেকেই আমাকে জিজ্ঞাসা করে আমি ফাইভারে কাজ করি নাকি আপওয়ার্কে, কিন্তু আমার কাছে রেন্ডম কারো জন্য কাজ করার চেয়ে আমার পছন্দের নিশ (ডকুমেন্টারি) নিয়ে যারা কাজ করে তাদের সাথে কাজ করে কমফোর্ট ফিল করি। এবং আমার এডিটিং যারা দেখেছেন বা দেখবেন, আপনারা খেয়াল করবেন আমার পছন্দের জায়গাটা ডকুমেন্টারি এবং এডুকেশনাল কনটেন্টকে ঘীরে। যদিও সবচেয়ে কঠিন নিশ এটি, তবে চ্যালেঞ্জ এক্সেপ্ট করতে পারাটাই আসল আনন্দ।

Adobe Premiere Pro, After Effects এবং Capcut এর মতো জনপ্রিয় সফটওয়্যার ব্যবহার করে শর্টস ভিডিও এডিট করার বেসিক থেকে এডভান্স টিপস এন্ড টেকনিকস গুলো শিখবেন।

ভিডিও ক্লিপগুলোকে কিভাবে নির্ভুলভাবে কাট করবেন এবং টাইমলাইনে সঠিকভাবে সাজাবেন এবং কন্টেন্টের স্পিড বাড়াতে বা সিনেমাটিক প্রভাব তৈরি করতে ফাস্ট কাট, জাম্প কাট, এবং ট্রানজিশন কৌশলগুলো আয়ত্ত করতে পারবেন।

শর্টস ভিডিওতে মোশন গ্রাফিকস এবং অ্যানিমেশন যোগ করে আরও আকর্ষণীয় এবং ইন্টারঅ্যাকটিভ বানানোর কৌশল শিখতে পারবেন।

সাউন্ড এফেক্ট এবং ভয়েসওভার কিভাবে শর্টস ভিডিওতে নিখুঁতভাবে ব্যবহার করবেন এবং ব্যাকগ্রাউন্ড নয়েজ কমানোর টেকনিক এবং অডিও লেভেলিং সমন্ধে জানতে পারবেন।

আমাদের এবার মূল ফোকাসই থাকবে আফটার ইফেক্টসকে ঘিরে। মোশন গ্রাফিক্স, 3d Camera Effects, এনিমেশন, কি-ফ্রেমিং সহ এই সকল বিষয়ে আমরা জানবো এবং শিখবো। কোর্স শেষে আপনারা সাধারণ এডিটরদের থেকে কয়েক ধাপ এগয়ে যাবেন।

মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে অডিয়েন্সকে আকর্ষণ করার জন্য কিভাবে পাওয়ারফুল হুক এবং ক্রিয়েটিভ ট্রেন্ড এবং ভাইরাল ভিডিও ফরম্যাটগুলির উপর ভিত্তি করে ভিডিও এডিটিং এর কৌশল শিখতে পারবেন।

এই কোর্সে থাকছে লাইভ এডিটিং সেশন এবং রিয়েল-টাইম ফিডব্যাকের মাধ্যমে আপনার প্রজেক্টকে নেক্সট লেভেলে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ।

এডিটিং স্পিড বাড়াতে কিভাবে শর্টকাট এবং ওয়ার্কফ্লো অপ্টিমাইজ করবেন তা আমরা এই কোর্সে জেনে নিব। তাছাড়াও ব্যাচ এডিটিং এবং কন্টেন্ট প্ল্যানিং কৌশল, যা আপনাকে কম সময়ে আরও বেশি ভিডিও বানাতে সাহায্য করবে এগুলোও আমরা শিখব এই কোর্সে।

ইউটিউবের মোস্ট ট্রেন্ডি চ্যানেল এবং যাদের মতো সবাই এডিট করতে চায় সেই চ্যানেলগুলোর ভিডিও এডিটিং ব্রেকডাউন থাকবে এই কোর্সে। আপনি যখন ইন্ডাস্ট্রি ল্যাভেলে কাজ কীভাবে আমি করি জেনে বা শিখে যাবেন, তাহলে আর দেরি কিসের। এবার এই রহস্য আমরা উন্মোচন করবো।

বর্তমান যুগে আপনি যদি এআই কে সাথে নিয়ে না চলেন তাহলে কিন্তু অনেক পিছিয়ে যাবেন। তাই আমরা ভিডিও এডিটিং-এ এআই টুলসের বিভিন্ন ব্যবহার শিখে নিব যাতে আমাদের কাজ আরো দ্রুত এবং সহজে হয়ে যায়।

ইউটিউবের মোস্ট ট্রেন্ডি চ্যানেল এবং যাদের মতো সবাই এডিট করতে চায় সেই চ্যানেলগুলোর ভিডিও এডিটিং ব্রেকডাউন থাকবে এই কোর্সে।

প্রতি রবিবার আপনাদের সাথে থাকবে লাইভ সাপোর্ট সেশন যেখানে আমি থাকবো আপনাদের সকল জানা অজানা প্রশ্ন এবং সমস্যাগুলোকে সমাধান করার জন্য। আর এটিই এই কোর্সের বিশেষত্ব। এখানে কেউ বঞ্চিত হবেনা তার সাপোর্ট পাওয়া থেকে।

কোর্স এনরোল করার সাথে সাথে আপনি পেয়ে যাবেন সম্পূর্ন কোর্স এক্সেস এবং সাথে সাথে আপনি রেকর্ড ভিডিও দেখে প্রাকটিস শুরু করে দিতে পারবেন। সাপ্তাহিক লাইভ সেশন মিস করেছেন বা আগের ক্লাসগুলো আবার দেখতে চাচ্ছেন? কোনো সমস্যা নেই, থাকবে সকল লাইভ সেশনের ক্লাসগুলোর রেকর্ড ভার্সন যাতে করে আপনি যেকোনো জায়গা থেকে আপনার ক্লাসগুলোকে এক্সেস করে পারেন।
একটি কোর্সের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন বিষয়ই হলো তার কারিকুলাম, তবে এটা সত্য অনেকেই তাদের কোর্সে শিক্ষার্থীদের ভর্তি করাবার আগে না দিয়ে থাকে প্রপার কারিকুলাম, না দিয়ে থাকি প্রপার টপিক বেইজড আউটলাইন, না দিয়ে থাকে টপিক লিস্ট। তবে তারা আশ্বাস দিয়ে থাকে সবকিছু একদম বেসিক টু এডভান্স শিখাবে, যেটি আমি বা কেউ ই চাইলেও কখনো এক কোর্সে পারবোনা। একজন শিক্ষার্থী হিসেবে এটি আপনার অধিকার আপনি যেই কোর্সের জন্য পেমেন্ট করছেন, তার কারিকুলাম এবং টাইমলাইন জেনে নেয়া।
We help ambitious businesses like yours generate more profits by building awareness, driving web traffic, connecting with customers, and growing overall sales. Give us a call.
We help ambitious businesses like yours generate more profits by building awareness, driving web traffic, connecting with customers, and growing overall sales. Give us a call.
We help ambitious businesses like yours generate more profits by building awareness, driving web traffic, connecting with customers, and growing overall sales. Give us a call.
We help ambitious businesses like yours generate more profits by building awareness, driving web traffic, connecting with customers, and growing overall sales. Give us a call.
We help ambitious businesses like yours generate more profits by building awareness, driving web traffic, connecting with customers, and growing overall sales. Give us a call.
সার্টিফিকেটের প্রয়োজনীয়তা যারা চাকরি পেতে বা করতে ইচ্ছুক তারা খুব ভালোভাবে উপলব্ধি করতে পারে। আর যদি আপনি কোর্স শেষে আপনার মেন্টরের সিগনেচার সহ একটি সার্টিফিকেট নিয়ে কোনো জবে এপ্লাই করেন, সেক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই বাকিদের থেকে দেয়া হবে বেশি প্রায়োরিটি। তবে দিনশেষে স্কিলের মুল্য সারটিফিকেট থেকেও বেশি।
আমাদের প্রথম ইচ্ছে ছিলো মোশন গ্রাফিক্স নিয়ে কোর্স করানোর এবং মিক্সিমি থেকে আমাকে অফার করা হয় মোশন গ্রাফিক্স নিয়ে কোর্সটি করাবার জন্য। তবে মোশন গ্রাফিক্স এর পাশাপাশি 3D Camera ইফেক্টস এর কাজ ও এখন অনেকটাই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে, তার পাশাপাশি এখন প্রত্যেকটি কনটেন্ট ক্রিয়েটর সবকিছুকে এক করে শর্টস বা লং ফর্ম ভিডিও বানিয়ে যাচ্ছে। যেহেতু মার্কেটে ডিমান্ড সবগুলোরই আছে, তাই আমরা চিন্তা করি এই সবকিছুকে এক ছাদের নিচে কীভাবে আনা যায়। এর থেকে আমাদের মাথায় আইডিয়া আসে শর্টস কনটেন্টকে ফোকাস করে এই সবকিছুকে একসাথে শিখাবার। এবং যেমন কথা তেমন কাজ। রেজাল্ট আপনাদের সামনেই।






আপনি যদি একটু ক্রিয়েটিভ ও ডিজিটাল ক্যারিয়ারে আগ্রহী হন, এবং নিজের কাজ দিয়ে মানুষকে প্রভাবিত করতে চান তবে শিক্ষাগত যোগ্যতা কোন ব্যাপারই নয়। আপনি আপনার নিজের দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে খুব সহজেই ভিডিও এডিটিং এ দক্ষ হয়ে উঠতে পারেন। আপনাকে জানতে হবে একটি ভিডিও তে কি কি ধরনের বৈচিত্র্য আনা সম্ভব।
চলুন দেখে নেই কিভাবে একজন প্রফেশনাল ভিডিও এডিটর হওয়া যায়-
💡একটু ক্রিয়েটিভ হতে হবেঃ ভিডিও এডিটিং অর্থাৎ এখানে কপি পেস্ট করে চালিয়ে দেওয়ার মত কিছু নেই। এডিটিং করার সময় আপনি যত বেশি ক্রিয়েটিভ হবেন আপনার ভিডিও তত মানুষ পছন্দ করবে।
💻এডিটিং সফটওয়্যার সম্পর্কে জানতে হবেঃ প্রতিটি এডিটিং সফটওয়্যার আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট্য নিয়ে তৈরি। যদিও সেগুলোর মধ্যে কিছু কিছু কমন টুলস থাকে তবে ব্যবহারের উপর ভিত্তি করে আপনি আলাদা আলাদা সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবেন।
যাইহোক, প্রফেশনাল ভিডিও এডিট করার জন্য আপনাকে কোন এন্টারপ্রাইজ ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার সম্পর্কে অভিজ্ঞ হতে হবে। আপনি কেমন এডিট করবেন তা অনেকটা নির্ভর করে আপনি কোন কোন টুল এবং ফিচার সম্পর্কে ধারণা রাখেন তার উপর।
যেমন শুধু ফুটেজ কাট করে সবগুলো জোড়া লাগিয়ে দিলেই ভিডিও এডিটিং হয় না। এখানে সফটওয়্যার দ্বারা এর টুল গুলো ইউজ করে ক্রিয়েটিভ আউটপুট তৈরি করাই হচ্ছে আসল উদ্দেশ্য।
✂️এডিটিং সিক্রেটস জানতে হবেঃ প্রফেশনাল লেভেলে আপনাকে জানতে হবে কীভাবে কম কাজ করেই ভালো আউটপুট তৈরি করা যায়। অর্থাৎ অন্যান্য সেক্টরের ন্যায় ভিডিও এডিটিং সেক্টরেও অনেক এডিটিং শর্টকাট বিদ্যমান।
⏱ধৈর্যশীল হতে হবেঃ এডিটিং অনেক ধৈর্যের কাজ। এখানে প্রতিটি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিষয়ের উপর নজর দিতে হয় অন্যথায় সামান্য গ্লিচ বা ভুল পুরো ভিডিও এক্সপেরিয়েন্স নষ্ট করে দেয়। আপনাকে প্রতিটি ফুটেজ বার বার দেখতে হবে সেখান থেকে ও প্রয়োজনীয় জিনিস বাদ দিতে হবে। ভিডিও নেওয়ার সময় কোন সমস্যা হলে তা এডিটিং এর মাধ্যমে ঠিক করে দিতে হবে।
📝স্ক্রিপ্ট সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবেঃ একজন এডিটরের স্ক্রিপ্ট সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে। পরিষ্কার ধারণা না থাকলে Raw ফুটেজ থেকে একটি কমপ্লিট গল্প তৈরি করা কখনই সম্ভব না। আপনি নিজে স্ক্রিপ্ট সম্পর্কে ধারণা রাখলে ভিডিও অ্যাঙ্গেল, কালার গ্র্যাডিয়েন্ট, স্পেশাল ইফেক্ট ইত্যাদি সঠিকভাবে অ্যাপ্লাই করতে পারবেন যা আপনার ভিডিওকে আরও দৃষ্টিনন্দন করে তুলবে।
আবার ভিডিও এর সাথে অডিও মিলিয়ে সেকেন্ড বাই সেকেন্ড কাজ করতে হবে। একটি ১০ মিনিটের ভিডিও এডিট করতে যে পরিশ্রম করতে হবে তা দেখে ভয় পেলে এডিটিং ছেড়ে দেওয়া ছাড়া কোন উপায় থাকবে না। আপনি যত সূক্ষ্মভাবে ভিডিও এডিট করতে পারবেন আপনার আউটপুট তত সুন্দর হবে।
💥স্পেশাল ইফেক্ট জানতে হবেঃ একটি সাধারণ ভিডিও ফাইলকে স্পেশাল ইফেক্টের মাধ্যমে ওয়ার্ল্ড ক্লাস বানানো সম্ভব। বর্তমান সময়ে আমরা Green Screen এবং VFX সম্পর্কে জানি যা এডিটিং এ স্পেশাল ইফেক্টস হিসেবে যোগ হয়।
🎥প্রজেক্ট করতে হবেঃ আপনি যখন বুঝতে পারবেন ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার সম্পর্কে আপনার ধারণা হয়ে গেছে তখন চেষ্টা করবেন প্রজেক্ট করার। নিজে নিজে প্রোজেক্ট করার পাশাপাশি কোন প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্ন হিসেবে নিজের অভিজ্ঞতা বাড়িয়ে নিবেন।
এতে আপনার পোর্টফলিও অনেক শক্তিশালী হবে যা পরবর্তীতে আপনাকে চাকরি পেতে বা ফ্রিল্যান্সিং করতে সাহায্য করবে।
🚀আপ টু ডেট থাকতে হবেঃ এডিটিং ইন্ডাস্ট্রি দিন দিন উন্নত হচ্ছে। আপনাকে নিয়মিতভাবে এডিটিং ট্রেন্ড সম্পর্কে আপ টু ডেট থাকতে হবে। না হলে আপনি সাম্প্রতিক প্রযুক্তি ও অন্যান্য বিষয়ে পিছিয়ে পরবেন।
একজন এক্সপেরিয়েন্সড ভিডিও এডিটরের মেন্টরশীপ ও সঠিক গাইডলাইনের কারনে আপনার মাসের পর মাস সময় নষ্ট হওয়া বেচে যেতে পারে। তাই হতে পারে আপনার জন্য এখনই পারফেক্ট সময় এই সুযোগটিকে কাজে লাগাবার।
📞 ফোন: +8801537-313161
✉️ ইমেইল: info@nixsoftware.net
📍 ঠিকানা: 13, Sector: 10, Uttara - Dhaka
💬 WhatsApp: মেসেজ পাঠান
🌐 ফেসবুক পেজ: facebook.com/nixsoftware